পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় মিশ্র ফল চাষ প্রকল্প।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় মিশ্র ফল চাষ প্রকল্প (১ম সংশোধিত)

রাঙ্গামাটি।

www.chtdb.gov.bd

প্রকল্প তথ্য  

১।

প্রকল্পের নাম

:

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় মিশ্র ফল চাষ প্রকল্প (১ম সংশোধিত)

২।

প্রকল্প পরিচালকের নাম

:

মোঃ শফিকুল ইসলাম

৩।

বাস্তবায়নকারী সংস্থা

:

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড

৪।

প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল

:

মুল- জুলাই, ২০১৫ হতে জুন, ২০২০ খ্রিঃ 

১ম সংশোধিত -জুলাই, ২০১৫ হতে জুন, ২০২১ খ্রিঃ

৫।

প্রকল্প এলাকা

:

তিন পার্বত্য জেলার ২৬টি উপজেলা

৬।

প্রকল্প গ্রহনের প্রেক্ষাপট

:

বাংলাদেশের অন্যতম অনুন্নত এলাকা পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার জন্য সরকার ১৯৭৬ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করার পর থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব কোনে অবস্থিত তিনটি জেলা যথাঃ রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান পার্বত্য জেলা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল গঠিত। বাংলাদেশের প্রায় এক দশমাংশ এলাকা বিভিন্ন উচ্চতার পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত। পার্বত্য এ এলাকায় আবাদযোগ্য মাঠ ফসলী জমি আছে মাত্র মোট জমির ৫%।

সমতল জমির অভাবে এখানে ফসল আবাদ সম্প্রসারণের সুযোগ খুবই সীমিত। অন্যদিকে, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার কারণে কৃষকগণ তাদের খাদ্যের চাহিদা মিটাতে পাহাড়ের ঢালে অপরিকল্পিত চাষাবাদ করে থাকেন। এর ফলে একদিকে যেমন ভূমি ক্ষয় এবং ভূমির উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস করে অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্যও নষ্ট করে। এ এলাকার জমি ফলের বাগানের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, কিন্তু প্রত্যন্ত এলাকার অনেক পাহাড়ী ভূমি এখনও আবাদের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে পার্বত্য এলাকার মোট ভূমির প্রায় ২২% উদ্যান ফসলের আওতায় আনার সম্ভাবনা রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থান ও আবহাওয়া বিবেচনায়, এখানে উদ্যান ফসল আবাদের অনেক সুযোগ রয়েছে। দরিদ্র এবং প্রান্তিক কৃষকদের উদ্যান ফসল আবাদে সম্পৃক্ত করা সবচাইতে ভাল বিকল্প। এগ্রো-ফরেষ্ট্রি কার্যক্রমের মাধ্যমে দরিদ্র লোকদের পুনর্বাসন একটি যথাযথ ও পরীক্ষিত উপায় এবং আরও সম্প্রসারনের উপযোগী। তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল বাংলাদেশের সবচাইতে অনগ্রসর ও বিচ্ছিন্ন এলাকা। পার্বত্য চট্টগ্রামের ২৫ বছরের সামাজিক অস্থিরতা যা ১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয় এবং এলাকার ভৌগিলিক ও আর্থ-সামাজিক অবস্থার কারণে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকে এই অঞ্চল অনেক পিছিয়ে আছে। এই অঞ্চলের বিদ্রোহের সময়ে সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ব্যপকভাবে বাধাগ্রস্থ হয় যার ফলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলা সামাজিক অস্থিরতার ক্ষতি এখনও পূরণ করতে পারছে না। এই দ্বন্ধ পরবর্তী এলাকার অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবন যাত্রার মান উন্নয়নসহ সামগ্রিক এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ মনযোগ প্রয়োজন।

এসব বিষয় বিবেচনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড ‘‘পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় মিশ্র ফল চাষ’’ শীর্ষক প্রকল্পটি গ্রহন ও বাস্তবায়ন করছে।

৭।

মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা

:

৫,০০০ জন

৮।

উদ্দেশ্য

:

সাধারণ উদ্দেশ্য:

ক) প্রকল্পের সাধারণ উদ্দেশ্য হ'ল মিশ্র ফলের চাষাবাদ প্রক্রিয়ার উন্নতি করা, ফলের উৎপাদন বাড়ানো, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করার জন্য বিদেশী ফলের উপর নির্ভরতা হ্রাস করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের দরিদ্র মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।

৯।

 

 

সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যঃ

ক) পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় টেকসই জীবনমান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকল্পে ৫০০০ দরিদ্র কৃষক পরিবারকে অন্তর্ভূক্ত করে ৫০০০ টি মিশ্র ফল বাগান সৃজনের মাধ্যমে তাদের আয়ের সুযোগ সৃষ্টিকরণ।

১০।

প্রকল্পের প্রধান উপাদান সমূহ

:

১) ২৫০০ টি ১.৫ একরের মিশ্র ফল বাগান সৃজনের মাধ্যমে ২৫০০ পরিবারের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি;

২) ২৫০০ টি ০.৭৫ একরের মিশ্র ফল বাগান সৃজনের মাধ্যমে ২৫০০ পরিবারের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি;

৩) উদ্যান উন্নয়ন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ৫,০০০ লোকের দক্ষতা উন্নয়ন;

৪)আগ্রহী ও সংশ্লিষ্ট ২৫০০ কৃষককে মিশ্র ফল বাগান সৃজনে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলা;

৫) ৫০০ জনকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান;

৫) ২৫০টি পানির উৎস সৃষ্টি;

৬) ১২৫টি মার্কেট শেড নির্মাণ।

১১।

প্রকল্পটির সাথে ভিশন ২০২১, এসডিজি, ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং সরকারের ইশতেহারের সম্পর্ক

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

:

১) ভিশন-২০২১ :

ক) প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে ফলের উৎপাদনশীলতা এবং পার্বত্য জেলাসমূহে মিশ্র ফল চাষের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি দারিদ্র্যতা দূরীকরণের মাধ্যমে ভিশন-২০২১ এর কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

২) এসডিজিঃ

ক) দারিদ্র্য বিলোপ

খ) লিঙ্গ সমতা

গ) জলবায়ু কার্যক্রম

৩) ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাঃ ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় কৃষি সেক্টরের ফসল সাব-সেক্টরে এর সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের কৌশল ও নীতি উল্লেখ করা হয়েছে যা নিম্নরূপঃ

ক) কৃষি বহুমুখীকরণে উৎসাহ প্রদান এবং উদ্যানতাত্ত্বিক ফসল চাষ সম্প্রসারণ;

খ) কৃষি সম্প্রসারণ

আলোচ্য প্রকল্পটি ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৪) সরকারের ইশতেহার

ক) দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈষম্য হ্রাস

খ) কৃষি, খাদ্য ও পুষ্টিঃ খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে নিশ্চয়তা

গ) জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষা

১২।

প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রমের ছবি 

:

1, 2, 3, 5, 6, 7, 8, 9, 10

১৩।

ছোট আকারের ভিডিও 

:

Videos 

১৪।

বাস্তবায়ন অগ্রগতি

:

প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ২,৫০০টি ১.৫ একরের বাগান এবং ২,৫০০টি ০.৭৫ একরের বাগান সৃজন করা হয়েছে।


Share with :

Facebook Facebook